Sunday, June 15, 2014

মোবাইলে পানি ঢুকলে যা করবেন

আপনার মোবাইল ফোনটি যদি পানিরোধী না হয় তবে ভিজে গেলে পড়তে পারেন ঝামেলায়। বৃষ্টিতে ভিজে যেতে পারে মোবাইল ফোন। মোবাইল ফোনসহ মনের ভুলে গোসল শুরু করে দিতে পারেন। এমনকি মোবাইলের ওপর চা-কফিও দুর্ঘটনাবশত পড়ে যেতে পারে, বন্ধ হয়ে যেতে পরে তা। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এক্ষেত্রে কিছু পরামর্শ মেনে চললে ফোনটি আবার চালু করতে পারবেন। মোবাইল ভিজে গেলে করণীয় বিষয়গুলো নিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

ব্যাটারি পরীক্ষা করুনপানিতে ভিজে নষ্ট হলে মোবাইল ফোনের ওয়ারেন্টি কাজে আসবে না। পানিতে ফোনের ক্ষতি হয়েছে কিনা তা পরীক্ষার জন্য ব্যাটারি পরীক্ষা খুলে পরীক্ষা করে দেখুন। ব্যাটারিতে সাদা রঙের ক্ষুদ্র স্টিকার থাকে আর্দ্রতা পেলে তা লাল বা গোলাপি রং ধারণ করে।

দ্রুত ফোন বন্ধ করে ফেলুনফোন পানির সংস্পর্শে এলে দ্রুত তা বন্ধ করে ফেলুন। তারপর দ্রুত তা কাগজ বা নরম তোয়ালে দিয়ে মুছে ফেলুন। এরপর দ্রুত সিম আর ব্যাটারি খুলে ফেলুন। সাবধানে এগুলো শুকাতে দিন। সরাসরি রোদে শুকাবেন না। মোবাইলে ব্যবহূত অন্যান্য জিনিসগুলোও আলাদা করে দিন। যেমন কভার, হেডফোন ইত্যাদি। মোবাইল ফোনটি ভালোভাবে শুকান। আপনাকে অবশ্যই দ্রুত এবং সতর্কতার সাথে পানি মুছে ফেলতে হবে।

মুছে ফেলুন ফোনে লেগে থাকা পানি
ফোনের বাইরে লেগে থাকা পানি মুছতে ব্যবহার করুন পেপার টাওয়েল বা নরম শুকনা কাপড়। ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের সাহায্যেও শুকাতে পারেন মোবাইল। তবে ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করে মোবাইল ফোন শুকানোর আগে সতর্ক থাকুন। এ যন্ত্র ভেজা মোবাইলটির খুব কাছে ধরবেন না। মোবাইল ফোন শুকাতে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার না করাই ভালো।পানি মুছতে ব্যবহার করুন পেপার টাওয়েল বা নরম শুকনা কাপড়।

চালের মধ্যে ফোনটি রাখুন
আপনার ভেজা ফোনটি একটি শুকনো প্লাস্টিকের ব্যাগ বা বাতাস চলাচল করে না এমন কনটেইনারের মধ্যে রাখুন। এ ছাড়াও ব্যাগভর্তি বা পাত্র ভর্তি চালের মধ্যে রেখে দিতে পারেন। এ সময় ফোন চালু করবেন না বা ব্যাটারি লাগাবেন না। ভেজা জিনিসের পানি শুষে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে চাল। ফোন রিস্টার্ট দেওয়ার আগে ২৪ ঘণ্টা এভাবে রাখতে পারেন।

নিজে থেকে ফোন চালু করার আগে ফোনের পোর্টগুলোতে পানি জমে আছে কিনা পরীক্ষা করে দেখুন। এ ছাড়াও ফোনের কোথাও ভেজা থাকলে তা মুছে ফেলুন এবং শুকিয়ে নিন। আপনার মোবাইল ফোনটি যদি চালু না হয় তবে ব্যাটারি খুলে রাখুন এবং সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যান।

ফ্যানের বাতাসে শুকাবেন না
মোবাইল ভিজে গেলে ব্যাটারি খুলে ফোনটি সরাসরি খোলা ঘরের মধ্যে ফ্যানের বাতাসে শুকাবেন না। এতে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার না করাই ভালো। এতে কোনো গরম বাতাস লাগাবেন না। আপনার ফোনটিকে শুকানোর জন্য এয়ার কন্ডিশন ভেন্টের সামনে কিছুক্ষণ ধরতে পারেন।

Source: http://www.prothom-alo.com/technology/article/241891

Thursday, June 12, 2014

জামের উপকারিতা

ঢাকা, জুন ১২: ফলের ভান্ডারে ভরা আমাদের এই প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ। আমাদের দেশে অন্যান্য সব ফলের মধ্যে জাম অন্যতম। অন্যসব মৌসুমি ফলের তুলনায় জামের স্থায়ীকাল কম হলেও এটি পুষ্টিগুণে অতুলনীয়। জামে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, স্যালিসাইলেট, গ্লুকোজ, ডেক্সট্রোজ ও ফুকটোজসহ অসংখ্য উপাদান। তাই আসুন জেনে নেয়া যাক জামের উপকারিতা সম্পর্কে।

গ্লুকোজ:
গ্লুকোজ মানবদেহের জন্য অতি প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। গ্লুকোজ, ডেক্সট্রোজ ও ফুকটোজ মানুষের কাজ করার শক্তি যোগায়। 

শর্করা:
জাম ডায়বেটিক রোগীদের রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে শরীর সুস্থ রাখে।

স্যালিসাইলেট:
স্যালিসাইলেট নামক উপদানটি মানব শরীরের ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে।

কোলস্টোরেল:
জাম রক্তের কোলস্টোরেলের মাত্রা কমিয়ে হৃদপিন্ড ভালো রাখে। এছাড়া শরীরের দূষিত কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা কমিয়ে দেহের প্রতিটি প্রান্তে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট:
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মানব শরীরের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
ভিটামিন সি ও এ:
ভিটামিন ‘সি’ ঠা-া, কাশি ও টনসিল প্রতিরোধ করে। ভিটামিন ‘এ’ চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে তোলে।
চুল, ত্বক ও দাঁত:
জাম চুল পাকা বন্ধ করে এবং ত্বক ও দাঁত ভালো রাখে।
কোষ্ঠকাঠিন্য: 
জামে বিদ্যমান ফাইবার বা আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
সতর্কতা: খালি পেটে জাম খাবেন না এবং জাম খাওয়ার পর দুধ খাবেন না।
শেয়ারনিউজ২৪/অ/১৬১০ঘ. 

Tuesday, June 10, 2014

ভুঁড়ি কমবেই

Mon, 09 Jun, 2014 04:29 PM
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বাংলামেইল২৪ডটকম
ঢাকা: ভুঁড়ি হলে যে শুধু দেখতে খারাপ লাগে তা কিন্তু নয়, এটি অস্বস্তিকর এবং বিব্রতকরও বটে। ভুঁড়ি কমাতে কেউ কেউ দিনের পর দিন না খেয়ে শরীরের বারোটা বাজিয়ে দেন। ডায়েটিং না করে কিছু বিষয় মেনে চললেই আপনি দ্রুত কমিয়ে আনতে পারেন আপনার ভুঁড়ি।
 
প্রতিদিন সকালে কিংবা বিকালে কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাটুন। নিয়মিত হাটলে ভুঁড়ি কমবে।
সিড়ি দিয়ে উপর নিচ উঠা-নামা করুন। লিফটের বদলে সিড়ি ব্যবহার করলে ভুঁড়ি বাড়বে না বরং শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি কমবে।
 
একটানা বসে কাজ করবেন না। প্রতিঘণ্টা অন্তর অন্তর একবার হলেও উঠে দাড়ান। এবং সব সময় সোজা হয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন। দীর্ঘসময় কুজো হয়ে একটানা কাজ করবেন না। এতে ভুঁড়ি বাড়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়।
 
অল্প সময়ে ভুঁড়ি কমানোর সহজ উপায় হচ্ছে বসে হাত দিয়ে পায়ের আঙ্গুল স্পর্শ করার চেষ্টা করুন। প্রতিদিন ১০ মিনিট করে এই ব্যায়াম করলে ভুঁড়ি কমবে।
 
একবারে বেশি করে খাবেন না। অল্প অল্প করে বারবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।
বেশি করে শাকসবজি, ফলমূল খান।  
দিনে কমপক্ষে ১০ গ্লান পানি খান। পানি হজম করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। শরীরের অবাঞ্জিত চর্বি কমাতে সাহায্য করে। তবে অ্যালকোহল জাতীয় খাবার খাবেন না।
প্রতিদিন খালি পেটে ২ থেকে ৩ কোয়া রসুন খান। রসুন খেলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে। ফলে শরীরে চর্বি জমতে পারে না।
মিষ্টি, ভাজা পোড়া ও অতিরিক্ত তৈলাক্ত জাতীয় খাবার পরিহার করুন।
 
বাংলামেইল২৪ডটকম/ জেডকে

Saturday, June 7, 2014

আর হবে না অ্যাসিডিটি

Sat, 07 Jun, 2014 05:07 PM
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বাংলামেইল২৪ডটকম

ঢাকা: বর্তমান বিশ্বে সাধারণ মানুষের মধ্যে অ্যাসিডিটির সমস্যা বেশ প্রকট। তবে অ্যাসিডিটি কোনো রোগ নয়, খাবারের অনিয়মের কারণেই মূলত মানবদেহে অ্যাসিডিটি হয়। অ্যাসিডিটি হলে খাবার হজমে সমস্যা হয়, পেটে অতিরিক্ত গ্যাস জমা হয়, ফলে পেটে ও বুকে জ্বালাপোড়া ও  ব্যথা করে, বমি বমি ভাবসহ নানা রকমের সমস্যা হয়।

অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পেতে সবাই কম বেশি ওষুধ খেয়ে থাকেন। কিন্তু কিছু নিয়ম মেনে চললেই অ্যাসিডিটিকে দূরে রাখা সম্ভব।

নিয়মিত একই সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন এবং খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমানে সবুজ শাকসবজি ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রাখুন।

দৈনিক ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করুন। পানি বা অন্য কোনো পানীয় পান করার সময় ধীরে ধীরে পান করুন। তবে স্ট্র ব্যবহার করে কোনো পানীয় পান করবেন না।

অতিরিক্ত তেল, ঝাল ও মসলাজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। এসব খাবার যদি খেতেই হয় তাহলে খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর পানি পান করুন।

অ্যালকোহল ও চুইংগামজাতীয় খাবার পরিহার করুন।

তিতা জাতীয় খাবার বেশি করে খান। এবং খাওয়ার পর সম্ভব হলে পুদিনা পাতার চা পান করুন।

প্রতিদিন এক গ্লাস গরম পানির মধ্যে সামান্য গোল মরিচ  গুঁড়ো ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে অ্যাসিডিটি দূর হবে।

মৌরী, আমলকী এবং গোলাপফুল সমপরিমানে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে এক গ্লাস পানির সঙ্গে মিশিয়ে সকাল বিকাল খেলে উপকার পাবেন।

আর তারপরও সমস্যা হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।


বাংলামেইল২৪ডটকম/জেডকে

হাতের আঁশটে গন্ধ দূর করতে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বাংলামেইল২৪ডটকম
ঢাকা: অধিকাংশ সময় দেখা যায় মাছ কাটা ও ধোয়ার পর হাত সাবান দিয়ে ভালো মতো পরিষ্কার করার পরও হাতে বিশ্রী আঁশটে গন্ধ থেকে যায়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে আপনার হাতের কাছে থাকা এক টুকরো লেবু।
 
হাতের আঁশটে গন্ধ দূর করতে সাবান দিয়ে হাত ভালো মতো পরিষ্কার করার পর হাতে খানিকটা লেবু ঘষে ধুয়ে ফেলুন। লেবু হাতে ঘষার পর হাতের আশটে গন্ধ দূর হওয়ার পাশাপাশি হাতের ত্বক রাখবে সতেজ।
 
বাংলামেইল২৪ডটকম/ জেডকে

Sunday, June 1, 2014

দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়া রোধের উপায়

ঢাকা, জুন ০১: আমাদের দৈনন্দিন জীবনে দাঁতের প্রতি খেয়াল রাখা হয় না। সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেক সময় অলসতার কারণে দাঁত ব্রাশ করা হয় না। ছোটবেলার দাঁত ব্রাশ করতে আলসেমি করাটা অনেকেই বড় হয়েও ছাড়তে পারেন না। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৫৫% পূর্ণবয়স্ক মানুষ আলসেমি করে এবং ঘুমের কারণে রাতের বেলা দাঁত ব্রাশ করেন না। ফলে দাঁতের এবং দাঁতের মাড়ির নানা সমস্যা দেখা দেয়।

দাঁতের সমস্যার মধ্যে অন্যতম সমস্যা হলো মাড়ি থেকে রক্ত পড়া। এই সমস্যা শুরু হলে অনেক চিকিৎসা করেও রেহাই পাওয়া সম্ভব হয় না যদি না আপনি নিজে থেকে সচেতন হয়ে যত্ন নেন। দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়া রোধে আপনি করতে পারেন নানা কাজ। এই কাজগুলো তাৎক্ষণিক ভাবে উপশমে কাজে দেবে, এবং মাড়ির সুরক্ষাতেও কাজ করবে।

লবঙ্গ: ঘরে থাকা সবচাইতে সহজলভ্য এবং মাড়ির রক্ত পরার উপশমে কার্যকরী উপাদানটি হচ্ছে লবঙ্গ। লবঙ্গের অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান মাড়ির রক্ত পড়া দ্রুত বন্ধ করে এবং দাঁতের জন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করে। মাড়ির রক্ত পড়া রোধে দুটো লবঙ্গ মুখে নিয়ে চিবিয়ে চুষতে থাকুন। দেখবেন মাড়ির রক্ত পড়ার সমস্যা দূর হবে।

অ্যালোভেরা: অ্যালোভেরার নানা ঔষধি গুণাগুণ রয়েছে তা আমরা অনেকেই জানি। এরই মধ্যে মাড়ির সুরক্ষার গুনটিও পড়ে। অ্যালোভেরা পাতা নিয়ে এর ভেতরকার অ্যালোভেরা জেল বের করে মাড়িতে ঘষে নিন। এরপর অ্যালোভেরার জেলটি খানিকক্ষণ মুখে রেখে দিন। তারপর মুখ কুলি করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

নিয়মিত ব্রাশ ও ফ্লস করা: অনিয়মিত ব্রাশ করার কারণে অনেক সময় দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়া শুরু হয়। তাই নিয়মিত ব্রাশ করার অভ্যাস করা উচিৎ। ব্রাশের পাশাপাশি ফ্লস করা অত্যন্ত জরুরী। কারণ ফ্লসের মাধ্যমে মাড়িতে লেগে থাকা খাদ্য কণা দূর হয় যা ব্রাশ করার পরও রয়ে যায়। তাই মাড়ি থেকে রক্ত পরার হাত থেকে বাঁচতে চাইলে ব্রাশের পাশাপাশি ফ্লস করুন।

ফল এবং কাঁচা সবজি খাওয়া: আপেল, পেয়ারা, গাজর, পেঁপে ইত্যাদি ধরণের ফল দারে মাড়ির জন্য অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর। এই ধরনের ফলমূল এবং কাঁচা সবজি খাওয়ার সময় দাঁতের মাড়ির ভেতর রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায় এতে মাড়ি থেকে রক্ত পড়ার মতো সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

লবণ পানির কুলকুচা: মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করতে এবং মাড়ির সুরক্ষায় সব চাইতে সহজ একটি ঘরোয়া কাজ হচ্ছে লবণ ও কুসুম গরম পানির কুলকুচা করা। ১ মগ কুসুম গরম পানিতে সামান্য লবণ দিয়ে মিশিয়ে নিয়ে দিনে ৩ বার কুলকুচা করুন। মাড়ির রক্ত পড়া সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন।


Source: শেয়ারনিউজ২৪/এফএম/১২২৩ঘ. 

কলপ ব্যবহারে মেয়েদের স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি


ঢাকা, মে ২৫: আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অনেকে কলপ ব্যবহার করে। এতে কলপের ব্যবহার অনেক বেড়ে গেছে এবং এটা ফ্যাশনেও পরিণত হয়েছে। আগে শুধু কালো কলপ ব্যবহার করা হতো, এখন সোনালী এবং লাল কলপ ব্যবহৃত হচ্ছে। 

বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোন থেকে কলপের ক্ষতিকর দিকটা ভালোর চেয়ে অনেক বেশি। ভাল দিকটা শুধু মানসিক স্বস্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ। আর ক্ষতিকর দিকটা অনেক ধরনের এবং অনেক বেশি। কলপ চুলের স্বাভাবিক সৌন্দর্য্য ও উজ্জ্বলতাকে নষ্ট করে দেয়। ফলে কলপ একবার ব্যবহার শুরু করলে সবসময়ই তা ব্যবহার করতে হয়, তা না হলে যখন কলপের রং উঠে যেতে থাকে। তখন চুলের রং তামাটে হয়ে যায় এবং অসুন্দর দেখায়। 

কলপ চুল ও শরীরের বেশ কিছু ক্ষতির কারণ হতে পারে দু‘ভাবে:- 
(১) সরাসরিঃ যা ত্বকে জ্বালা-পোড়া-চুলকোনী এমনকি ফুস্কুরী ও প্রদাহের সৃষ্টি করতে পারে। সাধারণতঃ কানের পিছনে এবং চোখের পাতায় প্রদাহ দেখা দেয় এবং পরে সেটা ধীরে ধীরে মুখ এবং খুলির দিকে বিস্তৃৃত হতে থাকে। 

(২) এলার্জীক প্রতিক্রিয়াঃ ব্যবহারের কিছুক্ষণের মধ্যেই এলার্জীর লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যেমন -ছোট ছোট দানা, চুলকোনী, ভারী ও অশ্রুসিক্ত লাল চোখ, গা ম্যাজ ম্যাজ করা ইত্যাদি। 

কয়েকদিন পরে কিছু ক্ষেত্রে এলার্জীক প্রতিক্রিয়া শুরু হতে পারে এবং সে ক্ষেত্রে চুল পড়াও বেড়ে যেতে পারে। কলপের গন্ধে সর্দি ও হাঁপানি থাকলে সেটাও বেড়ে যেতে পারে। কলপ চোখের জন্যও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, চোখে লেগে তা বিভিন্ন চক্ষুরোগের সৃষ্টি করতে পারে। এ ছাড়া বিজ্ঞানীরা গবেষণার মাধ্যমে কলপের সঙ্গে ত্বক ক্যান্সারের একটি যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন অর্থাৎ ত্বক কলপ শুষে নিয়ে ত্বক ক্যান্সার সৃষ্টিতে সহায়তা করে। 

মেয়েদের ক্ষেত্রে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিও কলপ ব্যবহারে অনেক বেড়ে যায়। তবে একটি কথা ঠিক যে, সব কলপ ব্যবহারকারীদেরই একই রকম সমস্যা বা ক্ষতি হবে এমন কোন কথা নেই। কারো হয়তো চোখে পড়ার মত বড় সমস্যা হয়। আর কারো হয়তো বাইরে থেকে কিছুই বোঝা যায় না। কিন্তু ভেতরে ভেতরে স্লোা-পয়জনিং পদ্ধতিতে ত্বক ও শরীরের ক্ষতি করে। কারন ত্বকের ধরন-প্রকৃতি এক একজনের একেক রকম। তাই ক্ষতিকর দিকটা চিন্তা করে কলপ ব্যবহার না করাই উত্তম। আর যদি করতেই হয় তা এলার্জী টেষ্ট করে এবং অন্যান্য স্তানের ত্বকে যাতে না লাগে সেদিকে খেয়াল রেখে যত সাবধানে পারা যায় ব্যবহার করতে হবে। আর ব্যবহারের পর যদি কোন সমস্যা দেখা দেয়। তবে অবশ্যই একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।


ডাঃ আহাম্মদ আলী, 
চর্ম ও যৌনব্যাধি বিশেষজ্ঞ।
চেম্বারঃ ‘মেডিনোভা’, রোড-৫/এ, বাড়ী-৭১,
ধানমন্ডি, ঢাকা। মোবাইল: ০১৭২১৭৯১৭০৭
শেয়ারনিউজ২৪/এফএম/১১১২ঘ. -