Friday, August 8, 2014

১২ কোটি পাসওয়ার্ড চুরি!

http://www.banglamail24.com/wp-content/uploads/2014/08/mw-630-istock-password-hacking-access-login-630w.jpeg

 বুধবার, ০৬ আগস্ট ২০১৪ ২২:০৬
ঢাকা: ১২ কোটি পাসওয়ার্ড চুরি করেছে রুশ একটি হ্যাকার গ্রুপ। যুক্তরাষ্ট্রের  ইন্টারনেট নিরাপত্তা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান হোল্ড সিকিউরিটি জানায়, পাসওয়ার্ড হ্যাক করার ঘটনার ক্ষেত্রে এটি একটি রেকর্ড। ৪ লাখ ২০ হাজার ওয়েবসাইট থেকে ওই পাসওয়ার্ডগুলো চুরি করেছিল গ্রুপটি।
পরে হোল্ড সিকিউরিটি হ্যাকার গ্রুপটির কাছ থেকে ওই পাস ওয়ার্ডগুলোর পাশাপাশি ৫ কোটি ইমেইল অ্যাড্রেস উদ্ধার করেছে। হোল্ড সিকিউরিটি জানায়, ওই হ্যাকার গ্রুপটি মার্কিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ওয়েবসাইটগুলোর ওপরও হামলা চালায়। হ্যাক হওয়া এসব ওয়েবসাইটের মধ্যে অনেক ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখনো দুর্বল।
হোল্ড সিকিউরিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা এর আগেও ৩৬ কোটি পাসওয়ার্ড হ্যাকারদের কবল থেকে উদ্ধার করেছে। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানায়, হ্যাক হয়ে যাওয়া এসব পাসওয়ার্ড অনলাইনের ব্ল্যাক মার্কেটে বিক্রি করা হয়।
বাংলামেইল২৪ডটকম/ একে

Wednesday, July 30, 2014

ধর্ষণ ঠেকাতে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া ছাত্রের অভাবনীয় উদ্ভাবন

wristband02 {focus_keyword} ধর্ষণ ঠেকাতে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া ছাত্রের অভাবনীয় উদ্ভাবন wristband02 e1406713938897
ঢাকা: এবারের কলকাতার রাখি উৎসবে এক বিশেষ উপহার মেয়েদের দেয়ার ব্যবস্থা করেছে ইঞ্জিনিয়ারিং তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সুশান্ত পট্টনায়ক। দিল্লির নির্ভয়া ঘটনার পরে ‘রক্ষাব্যান্ড’ নামের এই রাখি বানানোর কথা তার মাথায় আসে।
সুশান্ত জানায়, ওই ঘটনা তাকে এতটাই নাড়া দিয়েছিল যে মেয়েদের সুরক্ষায় কিছু একটা করার কথা অহর্নিশ ভাবতে থাকে। এজন্য তার স্নাতক শ্রেণীর ইঞ্জিনিয়ারিং বিদ্যাই একমাত্র সম্বল ছিল। দীর্ঘ দু’বছর প্রচেষ্টার পর এমন একটি ম্যাগনেটিক ব্যান্ড সে বানিয়েছে যার সহায্যে অপরাধীকে ধরা সহজ হবে।
এই ম্যাগনেটিক রিস্ট ব্যান্ডে বিশেষ ধরনের মাইক্রো সেলুলার টেকনোলজি রয়েছে। এর একটি বোতাম টিপলেই ১০০ ডায়াল (ইমার্জেন্সি কল) হয়ে যাবে এবং অ্যাক্টিভেট হয়ে যাবে লাউডস্পিকার। ব্যবহারকারী আক্রান্তের সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সরাসরি আক্রান্তকারীর সঙ্গে কথা বলতে পারবে।
শুধু তাই নয়, এতে রয়েছে মাইক্রো হিটার টেকনোলজি। যদি কোনো দুষ্কৃতকারী কোনো মেয়ের হাত ধরে টানার চেষ্টা করে তাহলে তার হাত পুড়ে যাবে। হাতে দস্তানা পরা থাকলেও কোনো লাভ হবে না।
ব্যান্ড হাতে শুশান্ত {focus_keyword} ধর্ষণ ঠেকাতে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া ছাত্রের অভাবনীয় উদ্ভাবন wristband03
এর মধ্যে থাকা অ্যালয় চিপ কয়েক সেকেন্ডের মাধ্যে উত্তপ্ত হয়ে তাপমাত্রা একশো ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠে যাবে। এমনকি ওই ব্যান্ডটি কেউ হাত থেকে টেনে খুলেও ফেলতে পারবে না। কারণ তা হাতে ম্যাগনেটিক কালি দিয়ে আটকানো থাকবে। এতে লাগানো শক্তিশালী আলো কয়েক মিনিটের জন্য দুষ্কৃতকারীর চোখ অন্ধও করে দিতে পারবে।
এই ব্যান্ডের চার্জ যাতে যখন তখন ফুরিয়ে না যায় সেদিকেও খেয়াল রেখেছে সুশান্ত। এতে রয়েছে মাইক্রো সোলার চার্জিং সুবিধা। মাইক্রো হাই অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারিয়াতে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ব্যান্ডটি সক্রিয় থাকে।
বাংলামেইল২৪ডটকম/ এসএস/ জেএ
 
 

Wednesday, July 9, 2014

মিনিটেই সারবে মাথা ব্যাথা

ঢাকা, জুলাই ০৮: মাথায় হঠা করেই শুরু হয় ব্যাথা। ধীরে ধীরে তা তীব্র হয়ে ওঠে। কখনও মাথার একপাশে আবার কখনো দুপাশেই প্রচণ্ড চাপ বোধ হয়। মাথাব্যাথার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। আবার অনেকের রয়েছে মাইগ্রেনের সমস্যা। মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে যে মাথাব্যাথা হয় তার কোনো উপশম নেই। তবে ব্যথা শুরু হলে তা উপশম করার জন্য বেশ কিছু উপায় অবলম্বন করলে খুব সহজেই ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

বেশিরভাগ মানুষে মাথা যন্ত্রণা কমাতে ব্যাথানাশক ওষুধ ব্যবহার করেন। এই ধরনের ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনেক বেশি ক্ষতিকর। তাহলে ওষুধ না খেয়বাদাম খাওয়া অভ্যাস করুন। অনেক সময়ে মানসিক অবসাদ থেকেও মাথাব্যাথা হতে পারে। তাই ব্যাথা কমাতে কাঠবাদামও খেতে পারেন। কাঠবাদামে রয়েছে স্যালিসিন যা ব্যাথা উপশম করতে সাহায্য করে।

মাথাব্যাথা উপশমে আদা অত্যন্ত কার্যকরী। আদায় রয়েছে প্রোস্টাগ্লাডিন সিনথেথিস্ যা ব্যথানাশক ওষুধে ব্যবহার করা হয়। তাই মাথাব্যাথা শুরু হলে আদা চিবোলে উপকার পাওয়া যায়। এছাড়াও এককাপ জলে সামান্য আদা ফুটিয়ে মধু দিয়ে সেই জল খেতে পারেন। এতে অনেক তাড়াতাড়ি ব্যাথা থেকে উপশম পাবেন।

বাজারে পিপারমিন্ট অয়েল কিনতে পাওয়া যায়। যারা মাথা ব্যথা সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছেন তারা এই তেল কপালে মাখলে উপকার পাবেন।

বাড়িতে বসেও পিপারমেন্ট অয়েল তৈরি করতে পারেন। কিছু তাজা পুদিনা পাতা ভাল করে ধুয়ে শুকিয়ে নিয়ে একটি পরিষ্কার পাত্রে সামান্য পিষে নিন। এরপর এককাপ অলিভ অয়েল বা আমন্ড অয়েলের মধ্যে দিয়ে ২৪ ঘন্টা রেখে দিন। এরপর পুদিনা পাতা ছেঁকে আলাদা করে নিন। এভাবে ওই একই তেলে আরও দুই থেকে তিনবার একই পদ্ধতি পালন করুন। পিপারমেন্ট ওয়েল তৈরি হয়ে যাবে। এই তেল মাথায় ম্যাসাজ করলে খুব দ্রুত উপকার পাবেন।


শেয়ারনিউজ২৪/শা//২০০০ঘ
ঢাকা, জুলাই ০৮: মাথায় হঠাৎ করেই শুরু হয় ব্যাথা। ধীরে ধীরে তা তীব্র হয়ে ওঠে। কখনও মাথার একপাশে আবার কখনো দুপাশেই প্রচণ্ড চাপ বোধ হয়। মাথাব্যাথার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। আবার অনেকের রয়েছে মাইগ্রেনের সমস্যা। মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে যে মাথাব্যাথা হয় তার কোনো উপশম নেই। তবে ব্যথা শুরু হলে তা উপশম করার জন্য বেশ কিছু উপায় অবলম্বন করলে খুব সহজেই ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

বেশিরভাগ মানুষে মাথা যন্ত্রণা কমাতে ব্যাথানাশক ওষুধ ব্যবহার করেন। এই ধরনের ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনেক বেশি ক্ষতিকর। তাহলে ওষুধ না খেয়ে বাদাম খাওয়া অভ্যাস করুন। অনেক সময়ে মানসিক অবসাদ থেকেও মাথাব্যাথা হতে পারে। তাই ব্যাথা কমাতে কাঠবাদামও খেতে পারেন। কাঠবাদামে রয়েছে স্যালিসিন যা ব্যাথা উপশম করতে সাহায্য করে।

মাথাব্যাথা উপশমে আদা অত্যন্ত কার্যকরী। আদায় রয়েছে প্রোস্টাগ্লাডিন সিনথেথিস্ যা ব্যথানাশক ওষুধে ব্যবহার করা হয়। তাই মাথাব্যাথা শুরু হলে আদা চিবোলে উপকার পাওয়া যায়। এছাড়াও এককাপ জলে সামান্য আদা ফুটিয়ে মধু দিয়ে সেই জল খেতে পারেন। এতে অনেক তাড়াতাড়ি ব্যাথা থেকে উপশম পাবেন।

বাজারে পিপারমিন্ট অয়েল কিনতে পাওয়া যায়। যারা মাথা ব্যথা সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছেন তারা এই তেল কপালে মাখলে উপকার পাবেন।

বাড়িতে বসেও পিপারমেন্ট অয়েল তৈরি করতে পারেন। কিছু তাজা পুদিনা পাতা ভাল করে ধুয়ে শুকিয়ে নিয়ে একটি পরিষ্কার পাত্রে সামান্য পিষে নিন। এরপর এককাপ অলিভ অয়েল বা আমন্ড অয়েলের মধ্যে দিয়ে ২৪ ঘন্টা রেখে দিন। এরপর পুদিনা পাতা ছেঁকে আলাদা করে নিন। এভাবে ওই একই তেলে আরও দুই থেকে তিনবার একই পদ্ধতি পালন করুন। পিপারমেন্ট ওয়েল তৈরি হয়ে যাবে। এই তেল মাথায় ম্যাসাজ করলে খুব দ্রুত উপকার পাবেন।


শেয়ারনিউজ২৪/শা/অ/২০০০ঘ
- See more at: http://sharenews24.com/index.php?page=details&nc=53&news_id=43101#sthash.R76ReO1D.dpuf

Wednesday, July 2, 2014

ফরমালিনের কারণে গর্ভস্থ শিশু হবে বিকলাঙ্গ

ঢাকা, জুলাই ০২: ফরমালিন একধরনের বিষ। ফরমালিনের বিশেষ কোনো সহনীয় মাত্রা নেই। যে কোনো মাত্রার বিষই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এটি ক্যান্সারসহ জটিল রোগের জন্মদাতা। নারীর শরীরের জন্য ফরমালিনের ক্ষতিকর প্রভাব আরো মারাত্মক। তাদের শরীরে ফরমালিন প্রবেশ করলে ঋতুস্রাবে সমস্যা হয়। ফরমালিনের কারণে গর্ভস্থ শিশু হতে পারে বিকলাঙ্গ।

ফরমালিনের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন এসব ভয়ংকর কথা।

ফরমালিন নিয়ে কথা বলেছে বাংলাদেশ ফার্মাসিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ফার্মেসি অনুষদের সাবেক ডিন, ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ব ম ফারুক, ঢাবি রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক নিলুফার নাহার, ঢামেক হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সুদীপ রঞ্জন দেব, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাসিমা খানের সঙ্গে।

তারা জানান, ফরমালিন একটি বিষ, এর কোনো সহনীয় মাত্রা নেই। যে কোনো মাত্রার ফরমালিনেই শরীরের ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে। যারা ফরমালিনের সহনীয় মাত্রার কথা বলেন তারা ঘটনার গভীরে না গিয়েই বলেন।

ড. আ ব ম ফারুক বলেন, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ও ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ক্যান্সার রিসার্চ বলছে, খাদ্যদ্রব্যে যদি ২ পিপিবি (১০০কোটি ভাগের দু’ভাগ) মাত্রার ফরমালিনও থাকে তবে তাও শরীরে ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে। এই পরিমাণ এত অল্প যা ল্যাবরেটরিতেও মাপা দুঃসাধ্য। তাহলে সহনীয় মাত্রার প্রশ্ন আসে কীভাবে!

বিশিষ্ট ওষুধ প্রযুক্তিবিদ আ ব ম ফারুকের ফরমালিন নিয়ে মাঠ পর্যায়ে গবেষণার অভিজ্ঞতাও রয়েছে।

এত অল্প মাত্রার ফরমালিন কীভাবে ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি। বলেন, ফরমালিন বা ফরমাল্ডিহাইড শরীরের নিউক্লিক এসিড (ডিএনএ)’র গঠন বদলে ফেলে। এটা খুবই বিক্রিয়াশীল। এটা শরীরের যে কোনো একটি ডিএনএ’র গঠন বদলে দিলেই ওটা ক্যান্সারাস হয়ে যায়। ওই ডিএনএটি সারা শরীরে ঘুরে বেড়ায়। এরপর যেখানেই আটকে যায় সেখানেই এটি ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। লিভারে আটকালে হয় লিভার ক্যান্সার, মস্তিষ্ক আটকালে হয় ব্রেন ক্যান্সার। মোটকথা যেখানেই আটকায় সেখানেই ক্যান্সার সৃষ্টি করে।

তবে ফরমালিনের সহনীয় মাত্রা না থাকলেও ফুড কালার, প্রিজারভেটিভ, টেস্টিং সল্ট প্রভৃতির সহনীয় মাত্রা নির্ধারণ করা সম্ভব বলে জানান তিনি।

ফরমালিন পরিমাপক যন্ত্র নিয়ে ওঠা বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়টাকে বিতর্ক না বলে কুতর্ক বলি। আমার জানা দরকার ফলে ফরমালিন আছে কি নেই। কত মাত্রার আছে সেটার সঠিক পরিমাণ নির্ণয় করতে হলেতো ল্যাবে যেতে হবে। সুতরাং, এ মেশিন দিয়ে যেহেতু মাপা যায় ফরমালিন আছে কি নেই, এটুকুইতো যথেষ্ট।

প্রাকৃতিকভাবেই ফলমূলে কিছু ফরমালিনের উপাদান থাকে যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। তবে ফরমালিনের এ উপাদান ল্যাবে কেমিক্যাল টেস্ট ছাড়া পরিমাপ করা সম্ভব নয় এবং প্রয়োজনও নেই। এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ নেই।

কিন্তু সাধারণ মেশিন বা কিটো টেস্টে ফরমালিনের যে উপস্থিতি ধরা পড়ে তা বাহ্যিকভাবে মেশানো হয়। এটা স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানান বিশিষ্ট এ ওষুধ প্রযুক্তিবিদ।

বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংস্থার বরাত দিয়ে অধ্যাপক ফারুক আরও বলেন, ফরমালিন খাদ্য পরিপাকে বাধা দেয়, পাকস্থলীর ক্ষতি করে, লিভারের এনজাইমগুলো নষ্ট করে এবং কিডনির কোষ নেফ্রনগুলো ধ্বংস করে। ফলে গ্যাস্ট্রিক ও আলসার বাড়ে, কিডনি ও লিভারে বিভিন্ন জটিল ও দূরারোগ্য রোগ সৃষ্টি হয়।

নারীদের শরীরে ফরমালিনের ক্ষতিকর প্রভাবও মারাত্মক। তাদের শরীরে ফরমালিন প্রবেশ করলে নিয়মিত ঋতু্স্রাবে সমস্যা হয়। ফরমালিনের কারণে গর্ভস্থ শিশু বিকলাঙ্গ হয় বলেও গবেষকরা প্রমাণ করেছেন।

সুতরাং, যতদ্রুত সম্ভব এই ভয়াবহ উপদ্রব থেকে আমাদের রক্ষা পেতে হবে। এজন্য সরকারের পাশাপাশি মিডিয়া ও সাধারণ ভোক্তাকে এগিয়ে আসতে হবে বলে মত দেন অধ্যাপক ফারুক।

অধ্যাপক ফারুক আরো বলেন, ফরমালিন নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে যে সচেতনা তৈরি হয়েছে এটি অব্যাহত রাখতে হবে। ব্যবসায়ীরা এটিকে ভালোভাবে দেখছেন না। তবে সবাই মিলে এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক নিলুফার নাহার বলেন, ফরমালিন কোনো খাবার জিনিস নয়, এটি কেমিক্যাল, এটি একটি ‘বিষ’। মানবদেহে ঢোকার কোনো প্রশ্নই আসে না। বিষের কোনো সহনীয় মাত্রা হতে পারে না। ফরমালিনের ‘সহনীয়’ মাত্রা দশমিক ১২৫ পিপিএম (পার্টস পার মিলিয়ন) বলতে ১০ লাখ লিটার পানির সঙ্গে ১৫ লিটার ফরমালিনের মিশ্রণকে বোঝায়।

ঢামেক হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সুদীপ রঞ্জন দেব বাংলানিউজকে বলেন, চুলার তাপে খাবারে ব্যবহৃত যে কোনো কেমিক্যালের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়। তবে ফরমালিন এতটাই ভয়াবহ যে কোনোভাবেই এর কার্যকারিতা নষ্ট করা যায় না।

ফরমালিনের অন্যতম উপাদান ফরম্যালডিহাইডের কারণে মানবদেহে ক্যারসিনোজেন বা ক্যান্সারের সহায়ক। ফরমালিন দীর্ঘ মেয়াদে হার্ট, লিভার, ফুসফুস অথবা ব্রেন ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। এমনকি কিডনির জটিলতম রোগেরও উৎস এই ফরম্যালডিহাইড বলে জানান সুদীপ রঞ্জন।

ডা. সুদীপ বলেন, প্রতিনিয়ত মায়েদের ফরমালিন খাওয়ার কারণে শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ব্যাহত হবে, দাঁত উঠতে দেরি হবে, হাড়ে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেবে এবং অনেক ক্ষেত্রে শিশুরা বিকলাঙ্গও হয়ে যেতে পারে।

শুধু ফরমালিন খেলেই নয়, যারা হাত দিয়ে ফরমালিন মেশায়, ফরমালিন নিয়ে নাড়াচাড়া করে তাদেরও চর্ম এলার্জি, শ্বাসকষ্ট এও অ্যাজমা হতে পারে।

তাই দেশকে ফরমালিনের ভয়াল থাবা থেকে মুক্ত করতে সরকারসহ দেশের সব মানুষকে একজোট হয়ে কাজ করার আহ্ববান জানালেন রসায়নবিদেরা।

তবে বিভিন্ন পক্ষ থেকে সহনীয় মাত্রার কথা বললেও সরকারিভাবে স্বীকৃত কোনো মাত্রা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাসিমা খান।
তিনি বলেন, মানবদেহের বাহ্যিক চামড়া থেকে হৃদপিন্ড (হার্ট) পর্যন্ত প্রতিটি অঙ্গে ফরমালিনের ক্ষতিকারক প্রভাব পড়ে। 


শেয়ারনিউজ২৪/এফএম/১৩২০ঘ.

Monday, June 30, 2014

আমদানী নয়, দেশে তৈরী হচ্ছে ফরমালিন!

ঢাকা, জুন ২৯: ফরমালিন আমদানিতে শর্ত জুড়ে দেওয়ার কারণে নতুন কৌশল নিয়েছেন চতুর ব্যবসায়ীরা! ফরমালিনের পরিবর্তে আসছে প্রায় একই জাতীয় মেডিসিন প্যারা ফরমালডিহাইড। সাদা দানাদার এই মেডিসিন এনে তাপ ও পানি মিশিয়ে দেশেই তা ফরমালিনে পরিণত করা হচ্ছে। সুযোগ বুঝে প্যারা ফরমালডিহাইড আমদানি বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। 

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, টেক্সটাইল কারখানা, পার্টিক্যাল বোর্ড, ট্রাক, অটোমোবাইল, মেনুফ্যাকচরিং ও বিভিন্ন পরীক্ষাগারের জন্য বিভিন্ন দেশ থেকে ফরমালিন আমদানি হয়। তবে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা খাদ্য পণ্য পচনের হাত থেকে রক্ষা করতে এই বিষ ব্যবহার করছেন। প্রথম দিকে এই বিষের ব্যবহার ছিলো সীমিত পরিসরে। এই বিষের ব্যবহার (২০১১-২০১২) সালে খাদ্য পণ্যে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ে।

এমন পরিস্থিতিতে ২০১২ সালের মে মাসে ফরমালিন আমাদানির ওপর শর্তারোপ করে সরকার। তবে প্রায় একই জাতীয় মেডিসিন প্যারা ফরমালিডিহাইড’র আমদানির অবাধ সুযোগ রাখা হয়। সেই সুযোগটিই কাজে লাগাচ্ছেন ফরমালিন ব্যবহারকারীরা। এ জন্য তাদের নিতে হয়েছে সামান্য কৌশল।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই কাজে দক্ষ কর্মী জানালেন ফরমালিন তৈরির কৌশল।

তিনি জানান, প্যারা ফরমালডিহাইডে প্রথমে তাপ দিতে হবে। এরপর ৪০ শতাংশ পাউডার ৬০ শতাংশ পানি মিশালেই তৈরি হয়ে যায় ফরমালিন। এতেই পোয়াবারো হয়ে যায় অসাধু ব্যবসায়ীদের সরাসরি ফরমালিন আমদানী না করেই তারা সারা দেশে ফরমালিনের সাপ্লাই অব্যাহত রাখতে পারছেন। সেই ফরমালিন ছড়িয়ে পড়ছে খাদ্যে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০১২ সালে সরকার ফরমালিনে শর্ত জুড়লে আমদানিকারকরা প্যারা ফরমালিডিহাইডে ঝুঁকে পড়ে। এতে জ্যামিতিক হারে বেড়ে যায় প্যারাফরমালডিহাইড আমদানির পরিমাণ।

সূত্র জানায়, ২০১১ সালে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে সাদা দানাদার এই পদার্থটির আমদানির পরিমাণ ছিলো ৭৬ লাখ ৬০ হাজার ৯৫০ কেজি। পরের বছর ২০১২ সালে আমদানির পরিমাণ ছিলো ৭৮ লাখ ৮৪ হাজার ৩৭৫ কেজি। কিন্তু এই বছর মে মাসে ফরমালিনে শর্তারোপ হলে শনৈ শনৈ বাড়তে থাকে প্যারাফরমালডিহাইড আমদানী। পরের বছর ২০১৩ সালে আমাদানির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ১ কোটি ১৪ লাখ ৮১ হাজার ৫০০ কেজি। আর চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসেই প্যারা ফরমালডিহাইড‘র আমাদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৫ লাখ ৯৭ হাজার কেজি।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের কমিশনার মারুফুল ইসলাম বলেন, প্যারা ফরমালডিহাইড দিয়ে ফরমালিন তৈরির সুযোগ রয়েছে। এই সুযোগটি হয়তো দেশে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে এরই মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে জানিয়ে কাস্টমস কমিশনার বলেন, প্যারা ফরমালডিহাইড আমদানির ক্ষেত্রেও নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে বলে আমরা শুনেছি।

চট্টগ্রাম কাস্টমস’র সহযোগী কমিশনার মিনহাজ উদ্দিন পালোয়ান বলেন, ব্যবসায়ীরা এখন আর ফরমালিন আমদানি করছে না। তবে প্যারা ফরমালিন আমদানি বেড়েছে। আর এতে তাপ ও পানি মিশিয়ে দেশেই তৈরি করা হচ্ছে ফরমালিন।

তিনি বলেন, প্যারা ফরমালডিহাইড আমদানির ক্ষেত্রে কোনো নীতিমালা নেই। তাই যে কেউ ইচ্ছা করলেই প্যারা ফরমালডিহাইড আমদানি করতে পারছেন। আর নীতিমালা না থাকায় এই পণ্যটি আমদানি রোধে কাস্টমসের কিছুই করার থাকছে না।

তিন আরো বলেন, প্যারা ফরমালডিহাইড আমদানির ক্ষেত্রে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে নীতিমালা তৈরি করা হলে এবং বন্দরে সঠিক তদারকি করা সম্ভব হলে ফরমালিন বিষ থেকে মানুষ অনেকটাই রক্ষা পাবে।


শেয়ারনিউজ২৪/এফএম/১০৪৭ঘ.

কাঁঠালের বিচির ব্যবহার ও পুষ্টিগুণ


ঢাকা, জুন ৩০: আমাদের দেশে কাঁঠালের বিচি খুব জনপ্রিয় খাবার। সবুজ চিচিঙ্গার সঙ্গে কাঁঠালের বিচি মিশিয়ে ছোট মাছ দিয়ে রাঁধা তরকারি, শুটকি মাছের সাথে কাঁঠালের বিচি আর ডাঁটার তরকারি, মুরগি দিয়ে কাঁঠালের বিচি কিংবা কাঁঠালের বিচি ভর্তা এ রকম অসাধারণ সব স্বাদের খাবার তৈরিতে কাঁঠালবিচির ব্যবহার নিশ্চয়ই আপনার অজানা নয়। আলুর বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা এই খাদ্য উপকরণটির পুষ্টিমান সম্পর্কে আমরা কতটুকু জানি! যদি না জানা থাকে, আসুন আজ কিছুটা জেনে নেয়া যাক:


পুষ্টি: প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁঠালের বিচিতে শক্তি পাওয়া যায় ৯৮ ক্যালরি। এতে কার্বোহাইড্রেট ৩৮.৪ গ্রাম, প্রোটিন ৬.৬ গ্রাম, ফাইবার ১.৫ গ্রাম, চর্বি ০.৪ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ০.০৫ থেকে ০.৫৫ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ০.১৩ থেকে ০.২৩ মিলিগ্রাম, আয়রন ১.২ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ২ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ৪.০৭ মিলিগ্রাম রয়েছে। কাঁঠালের বিচি ভিটামিন বি-১ ও ভিটামিন বি-১২ এর ভালো উৎস। এ ছাড়া আছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, থায়ামিন, নায়াসিন, লিগন্যান, আইসোফ্ল্যাভোন এবং স্যাপোনিনের মতো ফাইটো ক্যামিক্যালস।

স্বাস্থ্য গুরুত্ব: খাবার হিসেবে যেমন সুস্বাদু ও পুষ্টিমানে ভরপুর তেমনই এর রয়েছে স্বাস্থ্যগত গুরুত্ব।

১. কাঁঠালের বিচিতে থাকা এন্টি অক্সিডেন্টগুলো ক্যান্সার প্রতিরোধী এবং বার্ধক্যের প্রভাব সৃষ্টিকারি উপাদানগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে।

২. ফাইবার ও কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট এর কারণে এর গøাইসেমিক ইন্ডেক্স কম। ফলে এটি ওজন কম বাড়িয়েই জুগাতে পারে অনেক এনার্জি।

৩. কাঁঠালবিচির প্রোটিন অত্যন্ত উপকারি। মাছ, মাংস যাদের কম খাওয়া হয় তাদের জন্য আমিষের চাহিদা মেটাতে কাঁঠাল বিচি উৎকৃষ্ট খাবার।

৪. কাঁঠালবিচির জীবানুনাশক গুনও রয়েছে। এটিEscherichia coli I Bacillus megaterium ব্যাক্টেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর এবং এতে থাকা বিশেষ উপাদান (Jacalin) 
এইডস রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নয়নে সফল বলে প্রমাণিত হয়েছে।

৫. এতে থাকা পটাশিয়াম ব্ল্যাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে।

আয়ুুর্বেদিক গুণ: বহু বছর ধরে আয়ুর্বেদিক শাস্ত্র নানা অসুখের ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করে আসছে কাঁঠালের বিচি।

১। কাঁঠালের বিচি বিপাক ক্রিয়া ত্বরান্বিত করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
২। এটি হজম শক্তি বাড়ায়।
৩। কাঠালের বিচি হলোaphrodisiac অর্থাৎ এটি যৌন আনন্দ বাড়ায়। 
৪। ধারণা করা হয় কাঁঠালের বিচি টেনশন ও নার্ভাসনেস কাটাতে উপকারি।
৫। এ্যালকোহল জাতীয় মাদকের প্রভাব দূর করার জন্যও এর ব্যবহার রয়েছে।

আমাদের মতো দেশের যেখানে একটা বড় গোষ্ঠী পুষ্টিচাহিদা মেটাতে অক্ষম সেখানে পুষ্টি চাহিদা মেটাতে কাঁঠালের বিচি অত্যন্ত প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখতে পারে। সংরক্ষণযোগ্য বলে সারাবছরই এই পুষ্টি গ্রহণ করা সম্ভব। তাই কাঁঠাল খাওয়ার পর বিচিগুলোকেও সংরক্ষণ করুন আর গ্রহণ করুন এর পুষ্টিমান।

শেয়ারনিউজ২৪/এফএম/ঘ.

Thursday, June 26, 2014

ভাত খাবার পর যে কাজ করা ক্ষতিকর

ঢাকা, জুন ২৬: আমাদের জাতীয় খাবার ভাত ও মাছ। যত মজার খাবারই আমরা খাই না কেন ভাতের মত তৃপ্তি আমরা অন্য কিছুতে মিটে না। এ জন্য আমাদের নামই হয়ে গেছে মাছে ভাতে বাঙ্গালী। শুধু আমরাই নই পৃথিবীতে অন্তত তিনশ কোটি মানুষের প্রধান খাবার ভাত। চিকিৎসকরা স্বাস্থ্যরক্ষায় ভাত খাবার পর ৫টি কাজ করতে অনুৎসাহিত করেছেন। এগুলো হল- 

১. খাবার পরপর ফল খাবেন না: ভাত খাওয়ার এক ঘণ্টা আগে বা ১/২ ঘণ্টা পর ফল খাবেন। কেননা, ভাত খাওয়ার পরপর কোনো ফল খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে।

২. ধূমপান করবেন না: সারাদিনে অনেকগুলো সিগারেট খেলে যতখানি ক্ষতি হয়, ভাত খাওয়ার পর একটি সিগারেট বা বিড়ি তার চেয়ে অনেক বেশী ক্ষতি করে। তাই ধূমপান করবেন না।

৩. চা খাবেন না: চায়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ টেনিক এসিড থাকে যা খাদ্যের প্রোটিনের পরিমাণকে ১০০ গুণ বাড়িয়ে তোলে। ফলে খাবার হজম হতে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশী সময় লাগে। তাই ভাত খাওয়ার পর চা খাবেন না।

৪. বেল্ট কিংবা প্যান্টের কোমর ঢিলা করবেন না: খাবার পরপরই বেল্ট কিংবা প্যান্টের কোমর ঢিলা করলে অতি সহজেই ইন্টেস্টাইন (পাকস্থলি) থেকে রেক্টাম (মলদ্বার) পর্যন্ত খাদ্যনালীর নিম্নাংশ বেঁকে যেতে পারে। পেঁচিয়ে যেতে পারে অথবা ব্লকও হয়ে যেতে পারে। এ ধরনের সমস্যাকে ইন্টেস্টাইনাল অবস্ট্রাকশন বলা হয়। কেউ বেশি খেতে চাইলে আগে থেকেই কোমরের বাধন ঢিলা করে নিতে পারেন।

৫. গোসল করবেন না: ভাত খাওয়ার পরপরই গোসল করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে পাকস্থলির চারপাশের রক্তের পরিমাণ কমে যেতে পারে যা পরিপাক তন্ত্রকে দুর্বল করে ফেলবে। ফলে খাদ্য হজম হতে সময় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী লাগবে।

এই নিয়মগুলো মেনে চললে আপনি নিজের স্বাস্থ্যহানি থেকে মুক্তি পেতে পারেন সহজেই।


শেয়ারনিউজ২৪/এফএম/৯৫৪ঘ. -