Wednesday, June 18, 2014

ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করতে

Wed, 18 Jun, 2014 04:04 PM
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বাংলামেইল২৪ডটকম
ঢাকা: ফ্রিজে যেহেতু খাবার সংরক্ষণ করে রাখা হয় সেহেতু ফ্রিজের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয় সবার আগে নিশ্চিত হতে হবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে ফ্রিজের গন্ধের দিকটা।
ফ্রিজ যতই পরিষ্কার করা হোক না কেন, কয়েকদিন গেলেই ফ্রিজে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। ফ্রিজের এই দুর্গন্ধ দূর করতে পারে আপনার হাতের কাছে থাকা এক টুকরো লেবু।
 
ফ্রিজ পরিষ্কার করে লেবু টুকরো করে রেখে দিন ফ্রিজের ভেতর। লেবু শুষে নিবে আপনার ফ্রিজের বাজে গন্ধ। কয়েকদিন পর লেবু শুকিয়ে গেলে আবার নতুন করে লেবু টুকরো করে রেখে দিন। টুকরো লেবু রেখে দিলে ফ্রিজ থাকবে সবসময় দুর্গন্ধমুক্ত।
 
বাংলামেইল২৪ডটকমজেডকে

Sunday, June 15, 2014

স্বামী-স্ত্রীর ব্ল্যাড গ্রুপ সংক্রান্ত সর্তকতা

ঢাকা, জুন ১৫: বিয়ের আগে পরিবার পরিজন, আত্মীয় স্বজন সংক্রান্ত যাবতীয় খোঁজ খবর নিয়ে থাকি আমরা, কিন্তু ভুলে যাই সব চেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাপার স্বামী স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ সংক্রান্ত বিষয়টি আসুন জেনে নেয়া যাক জরুরী কিছু তথ্যঃ

স্বামী-স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ কেমন হওয়া উচিত সে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার আগে প্রথমে আমাদের ব্লাড গ্রুপ সম্পর্কে কিছু কথা জানা দরকার। প্রধানত ব্লাড গ্রুপকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটা হল ABO system (A, B, AB & O), আরেকটা হল Rh factor {Rh positive(+ve) & Rh negative(-ve)}. অর্থ্যাৎRh factor ঠিক করবে ব্লাড গ্রুপ পজেটিভ হবে না নেগেটিভ হবে। তাহলে ব্লাড গ্রুপগুলো হলঃ
A+ve, A-ve, B+ve, B-ve, AB+ve, AB-ve O+ve, O-ve.


জেনে নেয়া যাক, যদি অন্য গ্রুপের ব্লাড কারো শরীরে দেওয়া হয় তাহলে কী হবে?

যখন কোনো জয নেগেটিভ গ্রুপের ব্যক্তিকে জয পজেটিভ গ্রুপের ব্লাড দেয়া হয় তখন প্রথমবার সাধারনত কিছু হবে না। কিন্তু এর বিরুদ্ধে রোগীর শরীরে এন্টিবডি তৈরী হবে যার ফলে যদি কখনো রোগী আবার পজেটিভ ব্লাড নেয় তাহলে তার ব্লাডcell গুলো ভেঙ্গে যাবে, এর কারণে অনেক সমস্যা হবে। যেমন জ্বর, কিডনি ফেইলিউর, হঠাৎ মৃত্যু ইত্যাদি। এই সমস্যাকে মেডিকেল টার্ম এ বলা হয় ABO incompatibility.

স্বামী-স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ কী রকম হওয়া দরকার?

স্বামীর ব্লাড গ্রুপ যদি পজেটিভ হয় তাহলে স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ ও পজেটিভ হতে হবে। আর যদি স্বামীর ব্লাড গ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ পজেটিভ বা নেগেটিভ যে কোনো একটি হলেই হবে। তবে স্বামীর ব্লাড গ্রুপ যদি পজেটিভ হয় তাহলে কোনোভাবেই স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ নেগেটিভ হওয়া চলবে না। এক্ষেত্রে যদি স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে তার স্বামীর ব্লাড গ্রুপ ও নেগেটিভ হতে হবে।

যদি স্বামীর ব্লাড গ্রুপ পজেটিভ হয় আর স্ত্রীর ব্লাড গ্রুপ নেগেটিভ হয় তাহলে কী সমস্যা হবে?

রক্তের গ্রুপ মিলে গেলে কোন সমস্যা হয় না। তবে স্ত্রী যদি নেগেটিভ হয় আর স্বামী যদি পজিটিভ হয় তাহলে ‘লিথাল জিন’ বা ‘মারন জিন’ নামে একটি জিন তৈরি হয় যা পরবর্তীতে জাইগোট তৈরিতে বাঁধা দেয় বা জাইগোট মেরে ফেলে। সে ক্ষেত্রে মৃত বাচ্চার জন্ম হয়। যদি স্বামীর ব্লাড গ্রুপ পজেটিভ হয় তাহলে সাধারণত বাচ্চার ব্লাড গ্রুপ ও পজেটিভ হবে। 

যখন কোনো নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের মা ধারন করবে পজেটিভ Fetus (ভ্রুন) তখন সাধারণত প্রথম বাচ্চার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু ডেলিভারির সময় পজেটিভFetus এর ব্লাড, placental barrier ভেদ করে এবংplacental displacement এর সময় মায়ের শরীরে প্রবেশ করবে। মায়ের শরীরে ডেলিভারির সময় যে ব্লাড প্রবেশ করবে, তা ডেলিভারি হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই মায়ের শরীরে জয এন্টিবডি তৈরী করবে। যখন মা দ্বিতীয় সন্তান বহন করবে, তখন যদি তারfetus এর ব্লাড গ্রুপ পুনরায় পজেটিভ হয়। 

তাহলে মায়ের শরীরে আগে যেইRh এন্টিবডি তৈরী হয়েছিলো সেটা placental barrier ভেদ করে বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করবে। আর যখন fetus এর শরীরেRh antibody ঢুকবে তখনfetal এরRBC এর সঙ্গেagglutination হবে, যার ফলেRBC ভেঙ্গে যাবে। একে মেডিকেল টার্ম এ “Rh incompatibility” বলে।


শেয়ারনিউজ২৪/এফএম/১২৪২

মোবাইলে পানি ঢুকলে যা করবেন

আপনার মোবাইল ফোনটি যদি পানিরোধী না হয় তবে ভিজে গেলে পড়তে পারেন ঝামেলায়। বৃষ্টিতে ভিজে যেতে পারে মোবাইল ফোন। মোবাইল ফোনসহ মনের ভুলে গোসল শুরু করে দিতে পারেন। এমনকি মোবাইলের ওপর চা-কফিও দুর্ঘটনাবশত পড়ে যেতে পারে, বন্ধ হয়ে যেতে পরে তা। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এক্ষেত্রে কিছু পরামর্শ মেনে চললে ফোনটি আবার চালু করতে পারবেন। মোবাইল ভিজে গেলে করণীয় বিষয়গুলো নিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

ব্যাটারি পরীক্ষা করুনপানিতে ভিজে নষ্ট হলে মোবাইল ফোনের ওয়ারেন্টি কাজে আসবে না। পানিতে ফোনের ক্ষতি হয়েছে কিনা তা পরীক্ষার জন্য ব্যাটারি পরীক্ষা খুলে পরীক্ষা করে দেখুন। ব্যাটারিতে সাদা রঙের ক্ষুদ্র স্টিকার থাকে আর্দ্রতা পেলে তা লাল বা গোলাপি রং ধারণ করে।

দ্রুত ফোন বন্ধ করে ফেলুনফোন পানির সংস্পর্শে এলে দ্রুত তা বন্ধ করে ফেলুন। তারপর দ্রুত তা কাগজ বা নরম তোয়ালে দিয়ে মুছে ফেলুন। এরপর দ্রুত সিম আর ব্যাটারি খুলে ফেলুন। সাবধানে এগুলো শুকাতে দিন। সরাসরি রোদে শুকাবেন না। মোবাইলে ব্যবহূত অন্যান্য জিনিসগুলোও আলাদা করে দিন। যেমন কভার, হেডফোন ইত্যাদি। মোবাইল ফোনটি ভালোভাবে শুকান। আপনাকে অবশ্যই দ্রুত এবং সতর্কতার সাথে পানি মুছে ফেলতে হবে।

মুছে ফেলুন ফোনে লেগে থাকা পানি
ফোনের বাইরে লেগে থাকা পানি মুছতে ব্যবহার করুন পেপার টাওয়েল বা নরম শুকনা কাপড়। ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের সাহায্যেও শুকাতে পারেন মোবাইল। তবে ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করে মোবাইল ফোন শুকানোর আগে সতর্ক থাকুন। এ যন্ত্র ভেজা মোবাইলটির খুব কাছে ধরবেন না। মোবাইল ফোন শুকাতে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার না করাই ভালো।পানি মুছতে ব্যবহার করুন পেপার টাওয়েল বা নরম শুকনা কাপড়।

চালের মধ্যে ফোনটি রাখুন
আপনার ভেজা ফোনটি একটি শুকনো প্লাস্টিকের ব্যাগ বা বাতাস চলাচল করে না এমন কনটেইনারের মধ্যে রাখুন। এ ছাড়াও ব্যাগভর্তি বা পাত্র ভর্তি চালের মধ্যে রেখে দিতে পারেন। এ সময় ফোন চালু করবেন না বা ব্যাটারি লাগাবেন না। ভেজা জিনিসের পানি শুষে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে চাল। ফোন রিস্টার্ট দেওয়ার আগে ২৪ ঘণ্টা এভাবে রাখতে পারেন।

নিজে থেকে ফোন চালু করার আগে ফোনের পোর্টগুলোতে পানি জমে আছে কিনা পরীক্ষা করে দেখুন। এ ছাড়াও ফোনের কোথাও ভেজা থাকলে তা মুছে ফেলুন এবং শুকিয়ে নিন। আপনার মোবাইল ফোনটি যদি চালু না হয় তবে ব্যাটারি খুলে রাখুন এবং সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যান।

ফ্যানের বাতাসে শুকাবেন না
মোবাইল ভিজে গেলে ব্যাটারি খুলে ফোনটি সরাসরি খোলা ঘরের মধ্যে ফ্যানের বাতাসে শুকাবেন না। এতে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার না করাই ভালো। এতে কোনো গরম বাতাস লাগাবেন না। আপনার ফোনটিকে শুকানোর জন্য এয়ার কন্ডিশন ভেন্টের সামনে কিছুক্ষণ ধরতে পারেন।

Source: http://www.prothom-alo.com/technology/article/241891

Thursday, June 12, 2014

জামের উপকারিতা

ঢাকা, জুন ১২: ফলের ভান্ডারে ভরা আমাদের এই প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ। আমাদের দেশে অন্যান্য সব ফলের মধ্যে জাম অন্যতম। অন্যসব মৌসুমি ফলের তুলনায় জামের স্থায়ীকাল কম হলেও এটি পুষ্টিগুণে অতুলনীয়। জামে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, স্যালিসাইলেট, গ্লুকোজ, ডেক্সট্রোজ ও ফুকটোজসহ অসংখ্য উপাদান। তাই আসুন জেনে নেয়া যাক জামের উপকারিতা সম্পর্কে।

গ্লুকোজ:
গ্লুকোজ মানবদেহের জন্য অতি প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। গ্লুকোজ, ডেক্সট্রোজ ও ফুকটোজ মানুষের কাজ করার শক্তি যোগায়। 

শর্করা:
জাম ডায়বেটিক রোগীদের রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে শরীর সুস্থ রাখে।

স্যালিসাইলেট:
স্যালিসাইলেট নামক উপদানটি মানব শরীরের ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে।

কোলস্টোরেল:
জাম রক্তের কোলস্টোরেলের মাত্রা কমিয়ে হৃদপিন্ড ভালো রাখে। এছাড়া শরীরের দূষিত কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা কমিয়ে দেহের প্রতিটি প্রান্তে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট:
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মানব শরীরের ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে।
ভিটামিন সি ও এ:
ভিটামিন ‘সি’ ঠা-া, কাশি ও টনসিল প্রতিরোধ করে। ভিটামিন ‘এ’ চোখের দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে তোলে।
চুল, ত্বক ও দাঁত:
জাম চুল পাকা বন্ধ করে এবং ত্বক ও দাঁত ভালো রাখে।
কোষ্ঠকাঠিন্য: 
জামে বিদ্যমান ফাইবার বা আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
সতর্কতা: খালি পেটে জাম খাবেন না এবং জাম খাওয়ার পর দুধ খাবেন না।
শেয়ারনিউজ২৪/অ/১৬১০ঘ. 

Tuesday, June 10, 2014

ভুঁড়ি কমবেই

Mon, 09 Jun, 2014 04:29 PM
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বাংলামেইল২৪ডটকম
ঢাকা: ভুঁড়ি হলে যে শুধু দেখতে খারাপ লাগে তা কিন্তু নয়, এটি অস্বস্তিকর এবং বিব্রতকরও বটে। ভুঁড়ি কমাতে কেউ কেউ দিনের পর দিন না খেয়ে শরীরের বারোটা বাজিয়ে দেন। ডায়েটিং না করে কিছু বিষয় মেনে চললেই আপনি দ্রুত কমিয়ে আনতে পারেন আপনার ভুঁড়ি।
 
প্রতিদিন সকালে কিংবা বিকালে কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাটুন। নিয়মিত হাটলে ভুঁড়ি কমবে।
সিড়ি দিয়ে উপর নিচ উঠা-নামা করুন। লিফটের বদলে সিড়ি ব্যবহার করলে ভুঁড়ি বাড়বে না বরং শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি কমবে।
 
একটানা বসে কাজ করবেন না। প্রতিঘণ্টা অন্তর অন্তর একবার হলেও উঠে দাড়ান। এবং সব সময় সোজা হয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন। দীর্ঘসময় কুজো হয়ে একটানা কাজ করবেন না। এতে ভুঁড়ি বাড়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়।
 
অল্প সময়ে ভুঁড়ি কমানোর সহজ উপায় হচ্ছে বসে হাত দিয়ে পায়ের আঙ্গুল স্পর্শ করার চেষ্টা করুন। প্রতিদিন ১০ মিনিট করে এই ব্যায়াম করলে ভুঁড়ি কমবে।
 
একবারে বেশি করে খাবেন না। অল্প অল্প করে বারবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।
বেশি করে শাকসবজি, ফলমূল খান।  
দিনে কমপক্ষে ১০ গ্লান পানি খান। পানি হজম করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। শরীরের অবাঞ্জিত চর্বি কমাতে সাহায্য করে। তবে অ্যালকোহল জাতীয় খাবার খাবেন না।
প্রতিদিন খালি পেটে ২ থেকে ৩ কোয়া রসুন খান। রসুন খেলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে। ফলে শরীরে চর্বি জমতে পারে না।
মিষ্টি, ভাজা পোড়া ও অতিরিক্ত তৈলাক্ত জাতীয় খাবার পরিহার করুন।
 
বাংলামেইল২৪ডটকম/ জেডকে

Saturday, June 7, 2014

আর হবে না অ্যাসিডিটি

Sat, 07 Jun, 2014 05:07 PM
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বাংলামেইল২৪ডটকম

ঢাকা: বর্তমান বিশ্বে সাধারণ মানুষের মধ্যে অ্যাসিডিটির সমস্যা বেশ প্রকট। তবে অ্যাসিডিটি কোনো রোগ নয়, খাবারের অনিয়মের কারণেই মূলত মানবদেহে অ্যাসিডিটি হয়। অ্যাসিডিটি হলে খাবার হজমে সমস্যা হয়, পেটে অতিরিক্ত গ্যাস জমা হয়, ফলে পেটে ও বুকে জ্বালাপোড়া ও  ব্যথা করে, বমি বমি ভাবসহ নানা রকমের সমস্যা হয়।

অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পেতে সবাই কম বেশি ওষুধ খেয়ে থাকেন। কিন্তু কিছু নিয়ম মেনে চললেই অ্যাসিডিটিকে দূরে রাখা সম্ভব।

নিয়মিত একই সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন এবং খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমানে সবুজ শাকসবজি ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রাখুন।

দৈনিক ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করুন। পানি বা অন্য কোনো পানীয় পান করার সময় ধীরে ধীরে পান করুন। তবে স্ট্র ব্যবহার করে কোনো পানীয় পান করবেন না।

অতিরিক্ত তেল, ঝাল ও মসলাজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। এসব খাবার যদি খেতেই হয় তাহলে খাওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট পর পানি পান করুন।

অ্যালকোহল ও চুইংগামজাতীয় খাবার পরিহার করুন।

তিতা জাতীয় খাবার বেশি করে খান। এবং খাওয়ার পর সম্ভব হলে পুদিনা পাতার চা পান করুন।

প্রতিদিন এক গ্লাস গরম পানির মধ্যে সামান্য গোল মরিচ  গুঁড়ো ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে অ্যাসিডিটি দূর হবে।

মৌরী, আমলকী এবং গোলাপফুল সমপরিমানে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে এক গ্লাস পানির সঙ্গে মিশিয়ে সকাল বিকাল খেলে উপকার পাবেন।

আর তারপরও সমস্যা হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।


বাংলামেইল২৪ডটকম/জেডকে

হাতের আঁশটে গন্ধ দূর করতে

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বাংলামেইল২৪ডটকম
ঢাকা: অধিকাংশ সময় দেখা যায় মাছ কাটা ও ধোয়ার পর হাত সাবান দিয়ে ভালো মতো পরিষ্কার করার পরও হাতে বিশ্রী আঁশটে গন্ধ থেকে যায়। এ সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে আপনার হাতের কাছে থাকা এক টুকরো লেবু।
 
হাতের আঁশটে গন্ধ দূর করতে সাবান দিয়ে হাত ভালো মতো পরিষ্কার করার পর হাতে খানিকটা লেবু ঘষে ধুয়ে ফেলুন। লেবু হাতে ঘষার পর হাতের আশটে গন্ধ দূর হওয়ার পাশাপাশি হাতের ত্বক রাখবে সতেজ।
 
বাংলামেইল২৪ডটকম/ জেডকে